🕮 “রসূল তোমাদের যা কিছু দেন তা গ্রহণ করো এবং যা কিছু থেকে বিরত থাকতে বলেন তা থেকে বিরত থাকো। আল্লাহকে ভয় করো। আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা” (কুরআন:৫৯হাশর:৭)। এ আয়াত থেকে এটা প্রতীয়মান হয় যে, নিজ জীবন যাত্রায় আমরা রাসুলের (সা) দেখান বাধ্যতামূলক হুকুমের কোনোটাই বাদ দেব না এবং নিষেধের সবগুলিই বাদ দেব। এবং এ দুটি বিষয়ের কাজ কখনই করা সম্ভব নয় যদি অন্তরে ও কর্মে আল্লাহর ভয় না থাকে। কুরআন মুমিনকে এ হুশিয়ারী দিচ্ছে এ জন্য যে, মানুষকে ভাল-মন্দ উভয়টা করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে-যা ফেরেশতাদের দেওয়া হয়নি। অসতর্ক মানুষেরা এ স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহার করতে পারে না বিধায় তারা আল্লাহর নিষেধকে দোষনীয় মনে করে না। কিন্তু প্রায় সবারই আল্লাহর নিষিদ্ধ কাজ করার যোগ্যতাকে সক্রীয় করা সহজ তখন, যখন সে সব সময় নিজের মধ্যে আল্লাহর শাস্তির ভয় জাগ্রত রাখবে, ফলে রসুলের হুকুম মানা ও নিষেধ থেকে বিরত থাকা তার জন্য কঠিন হবে না। এর পরেও আমরা যদি আল্লাহর এ দু’টি সার্বিক হুকুম আদৌ না মানি বা আংশিক মানি’ তবে কঠোর আযাব আমাদেরকে পিষ্ট করবে, জাহান্নামের আগুন মাংসপেশীকে দগ্ধ করবে। আমরা জানি আল্লাহর হুকুম মানা ও নিষেধ থেকে বিরত থাকার’ মৌলিক বিধানের কাজটি মুনাফিকদের জন্য কঠিন ছিল যদিও মুনাফিকদের একটি শ্রেণী আল্লাহ ও তার রসুলকে (সা)কে বিশ্বাস করত। তাই নিজেকে বাঁচাতে ‘যা যা করার এবং যা যা থেকে বিরত রাখার’ তা বাস্তবায়ন করতে হবে। সুরা হাশরের এই ৭নং আয়াতের আলোকে যেমন নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে, তেমনি অপর মুমিনরাও যেন মানতে পারে সে জন্য ইসলামের এ হুশিয়ার বাণী সবার কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব আপনি কি করে এড়াবেন?
